প্রশ্নের বর্ণনা

a মানিক বন্দোপাধ্যায়
b সত্যেন সেন
c সুকান্ত ভট্টাচার্য
d শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'বিরাজ বৌ' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস যা ১৯১৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী বাংলা ঔপন্যাসিক। - মানবপ্রেম, সমাজের বৈষম্য এবং নারীর মনস্তত্ত্ব তার উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যতম বিখ্যাত একটি ট্র্যাজেডি উপন্যাস। উদাহরণ ২: পরিণীতা ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক প্রেমের উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানিক বন্দোপাধ্যায় — এটি ভুল কারণ মানিক বন্দোপাধ্যায় 'বিরাজ বৌ' উপন্যাসের রচয়িতা নন, তিনি 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। B) সত্যেন সেন — এটি ভুল কারণ সত্যেন সেন 'বিরাজ বৌ' লেখেননি, তিনি মূলত ঐতিহাসিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — এটি ভুল কারণ সুকান্ত ভট্টাচার্য কোনো উপন্যাস লেখেননি, তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন কিশোর কবি ও মার্ক্সবাদী লেখক ছিলেন। D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ 'বিরাজ বৌ' উপন্যাসটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়েরই রচনা। ৫. মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে প্রথম সৃষ্টিটি একজন নারীর নাম নিয়ে শুরু হয়েছিল যার নাম বিরাজ। - এভাবে লেখকের প্রথম সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'বিরাজ বৌ' উপন্যাসটি ১৯১৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি লেখকের সাহিত্যজীবনের প্রথম প্রকাশ। - এই ধরনের লেখক ও তাঁদের প্রথম উপন্যাস বা বিখ্যাত চরিত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0