প্রশ্নের বর্ণনা

a দেবদাস
b শ্রীকান্ত
c মৃত্যুক্ষুধা
d বড়দিদি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৃত্যুক্ষুধা ১. কেন সঠিক: - মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত নয়, বরং এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ১৮৭৬ সালে এবং মৃত্যু ১৯৩৮ সালে, অন্যদিকে কাজী নজরুল ইসলাম বিশ শতকের প্রথমার্ধে বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বাংলা সাহিত্য জগতের একটি বাস্তবধর্মী ও সমাজসচেতন উপন্যাস যা ১৯৩০ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসে কলকাতার বস্তী জীবনের দরিদ্র মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, ক্ষুধা এবং বেঁচে থাকার লড়াই অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রথম প্রকাশিত ও অত্যন্ত জনপ্রিয় বিপ্লবী কবিতা সংকলন, যা বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারা সৃষ্টি করেছিল। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বাঁধনহারা উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি পত্রোপন্যাস বা পত্রমূলকে রচিত কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, যা তার গদ্য রচনার অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেবদাস — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ট্র্যাজেডি উপন্যাস, যা ১৯১৭ সালে প্রকাশিত হয়। B) শ্রীকান্ত — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের চার খণ্ডে সমাপ্ত একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস। C) মৃত্যুক্ষুধা — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নয়, বরং কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। D) বড়দিদি — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, যা ১৯০৭ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য দেবদাস, শ্রীকান্ত ও বড়দিদির মতো নামগুলোর সঙ্গে শরৎচন্দ্রের নাম মিলিয়ে পড়তে পারো। - নজরুলের দুটি মাত্র উপন্যাস মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা, যা শরৎচন্দ্রের উপন্যাসের তালিকা থেকে আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শরৎচন্দ্র ও কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসের নাম গুলিয়ে ফেলতে বলা হয়, তাই উভয় লেখকের উপন্যাসের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখবে। - লেখকের প্রথম রচনা ও প্রকাশকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন চাকরির পরীক্ষায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0