প্রশ্নের বর্ণনা

a দেবদাস
b শ্রীকান্ত
c চরিত্রহীন
d গৃহদাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শ্রীকান্ত ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটিকে সর্বজনীনভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এটি মূলত লেখকের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত যেখানে বাংলার গ্রামীণ সমাজ ও প্রকৃতির এক অনবদ্য রূপ ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী বাঙালি কথাসাহিত্যিক। 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি চার খণ্ডে সমাপ্ত এবং এর মাধ্যমেই তিনি ঔপন্যাসিক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'পল্লিসমাজ' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি অন্যতম সামাজিক উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের নানা অন্যায়ের চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'চরিত্রহীন' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিতর্কিত ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা সেসময়ের সমাজে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেবদাস — এটি লেখকের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ছোট উপন্যাস হলেও এটিকে তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে গণ্য করা হয় না। B) শ্রীকান্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। C) চরিত্রহীন — এটি একটি জনপ্রিয় উপন্যাস হলেও এর বিষয়বস্তু ও কাঠামোর জন্য এটি শ্রেষ্ঠ রচনার মর্যাদা পায়নি। D) গৃহদাহ — এটি তাঁর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, তবে শ্রেষ্ঠ সৃষ্টির মর্যাদায় এটি 'শ্রীকান্ত'-এর পরেই অবস্থান করে। ৫ মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ ও দীর্ঘতম আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস হলো শ্রীকান্ত। মনে রাখার সূত্র হলো শ্রীকান্তের চার খণ্ড তাঁর সাহিত্যজীবনের মুকুটের প্রধান মণি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকান্ত উপন্যাসটি কয় খণ্ডে সমাপ্ত, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকের শ্রেষ্ঠ বা প্রথম রচনা মনে রাখার জন্য লেখকের আত্মজীবনীমূলক ও জনপ্রিয় গ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0