প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে
b ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে
c ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দে
d ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক এই ডিগ্রি লাভ করেন। বাংলা কথাসাহিত্যে তাঁর অসামান্য অবদান এবং জনপ্রিয়তার কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই উপাধি প্রদান করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডি লিট বা ডক্টর অব লিটারেচার হলো সাহিত্য ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য প্রদত্ত সর্বোচ্চ সম্মানসূচক একাডেমিক ডিগ্রি। বাংলা উপন্যাসে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের দুঃখ কষ্ট ও বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য শরৎচন্দ্র এই সম্মান পান। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৩৬ সালের ১ জুলাই সমাবর্তনে তাঁকে এই ডি লিট উপাধিতে ভূষিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে — এই বছরে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোনো ডিগ্রি পাননি কারণ তখন অন্য কার্যক্রম চলছিল। খ) ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি লিট ডিগ্রি লাভ করেন। গ) ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দে — এই সালের বহু আগেই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মৃত্যুবরণ করেন ফলে এই সালে ডিগ্রি পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ঘ) ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে — এই সালটিও ভুল কারণ ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৯৩৮ সালে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি লিট প্রাপ্তির সালটি মনে রাখতে ১৯৩৬ সংখ্যাটি মনে রাখবে। মৃত্যু সাল ১৯৩৮ এর ঠিক দুই বছর আগে তিনি এই সম্মাননা লাভ করেছিলেন বলে এভাবে মনে রাখা সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0