প্রশ্নের বর্ণনা

a ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
b কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
c বিশ্বভারতীয়
d রেঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা সাহিত্যে তাঁর অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি. লিট ডিগ্রি প্রদান করা হয়। তৎকালীন সময়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে ও সাহিত্য জগতে তাঁর অসামান্য প্রতিভার মূল্যায়ন হিসেবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের এক জাদুকর এবং বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাশিল্পীদের একজন। তাঁর রচিত দেবদাস, শ্রীকান্ত, চরিত্রহীন, বড়দিদি ইত্যাদি উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে অমর সৃষ্টি হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৩৬ সালে সম্মানসূচক ডি. লিট ডিগ্রি লাভ করেন। ব্যাখ্যা: এটি একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অন্য একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিককে প্রদত্ত সম্মাননা। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৪৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট ডিগ্রি লাভ করেন। ব্যাখ্যা: এটিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত বিশিষ্ট সাহিত্যিকদের সম্মানসূচক ডিগ্রির একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ডি. লিট ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছিল। B) কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় — কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ডি. লিট ডিগ্রি প্রদান করেনি, যদিও তিনি কলকাতার সাহিত্য পরিমণ্ডলের প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। C) বিশ্বভারতীয় — বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে এই সম্মাননা প্রদান করেনি, এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতনের প্রতিষ্ঠান। ডি) রেঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয় — রেঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কর্মজীবনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও (তিনি দীর্ঘদিন বার্মার রেঙ্গুনে ছিলেন) সেখান থেকে তাঁকে ডি. লিট ডিগ্রি দেওয়া হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথ উভয়ই ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট ডিগ্রি পেয়েছিলেন। এই সালটি মনে রাখলে পরীক্ষামূলক প্রশ্নে বিভ্রান্তি এড়ানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের প্রাপ্ত ডিগ্রি, সম্মাননা এবং সাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথিতযশা লেখকদের প্রাপ্ত সম্মানসূচক ডিগ্রির সালগুলো আলাদা করে ছক আকারে পড়ে নিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0