প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে
b ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে
c ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে
d ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে ১. কেন সঠিক: - কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর অসামান্য সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মর্যাদাপূর্ণ জগত্তারিণী পদক লাভ করেন। - এই পদকটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য বিশিষ্ট সাহিত্যিকদের প্রদান করা হতো। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের এক অবিসংবাদিত জাদুকর, যিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের সুখ-দুঃখ ও বাস্তব জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন। - তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে দেবদাস, বড়দিদি, পরিণীতা, শ্রীকান্ত ও চরিত্রহীন বাংলা সাহিত্যে চিরন্তন আসন লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি.লিট ডিগ্রি লাভ করেন। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যিকদের প্রাপ্ত একটি অন্যতম বড় প্রাতিষ্ঠানিক সম্মান। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেন। ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের জন্যও একটি বড় স্বীকৃতি ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে — এটি সঠিক নয় কারণ এই বছরে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জগত্তারিণী পদক পাননি, বরং এ সময়ে তাঁর বিন্দুর ছেলে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল। B) ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং এই সালেই তিনি জগত্তারিণী পদক অর্জন করেছিলেন। C) ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে — এটি ভুল কারণ এই সালে তিনি পদক পাননি, বরং এটি তাঁর জীবনের শেষ দিকের একটি সময়কাল। D) ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে — এটি ভুল কারণ এই সময়ে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাহিত্যজগতে সেভাবে পরিচিতি লাভ করেননি এবং তাঁর প্রথম উপন্যাস বড়দিদি প্রকাশিত হয় ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জগত্তারিণী পদক প্রাপ্তির সাল মনে রাখতে সালটি এভাবে মনে রাখতে পারো যে উনি বিশ শতকের তেইশ সালে এই সম্মান পান। - সালভিত্তিক প্রশ্নগুলো মনে রাখার জন্য ছক তৈরি করে পড়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রাপ্ত পদক ও পুরস্কার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রাপ্ত বিভিন্ন পুরস্কারের সালগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0