প্রশ্নের বর্ণনা

a নিমতা গ্রাম
b দেবানন্দপুর গ্রাম
c গোধিয়া গ্রাম
d করিমগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দেবানন্দপুর গ্রাম ১. কেন সঠিক: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয়তার বরপুত্র শরৎচন্দ্রের পৈতৃক নিবাস দেবানন্দপুর হলেও তাঁর জীবনের একটি দীর্ঘ সময় কেটেছিল ভাগলপুরে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও কালজয়ী কথাসাহিত্যিক, যিনি অপরাজিত কথাশিল্পী নামে পরিচিত। - তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে দেবদাস, পরিণীতা, শ্রীকান্ত, চরিত্রহীন ও বড়দিদি বাংলা সাহিত্যে অমর সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পথের দাবি ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস যা তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: পল্লীসমাজ ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গ্রামীণ সমাজভিত্তিক বিখ্যাত একটি উপন্যাস যেখানে গ্রামীণ জীবনের নানা অসংগতি ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিমতা গ্রাম — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান নয় এবং শরৎচন্দ্রের জন্মগ্রামও নয়। B) দেবানন্দপুর গ্রাম — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) গোধিয়া গ্রাম — এটি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মস্থান বা অন্য কোনো প্রধান লেখকের জন্মগ্রাম নয়। D) করিমগঞ্জ — এটি ভারতের আসামের একটি জেলা এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের জন্মস্থান দেবানন্দপুর মনে রাখার জন্য দে দিয়ে দেবানন্দপুর এবং দে দিয়ে শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত চরিত্র দেবদাস এভাবে মনে রাখতে পারো। - কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্রের জন্মস্থান নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মসাল ১৮৭৬ এবং মৃত্যু ১৯৩৮ সাল এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধরনের লেখকের জন্মস্থান সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে গ্রামের নাম এবং জেলার নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0