প্রশ্নের বর্ণনা

a টেকচাঁদ ঠাকুর
b বিদ্যাসাগর
c বীরবল
d বনফুল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরবল ১. কেন সঠিক: - চলিত বাংলা গদ্যের সার্থক প্রবর্তন করেন প্রমথ চৌধুরী, যাঁর ছদ্মনাম ছিল বীরবল। - তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজ পত্ৰ পত্রিকার মাধ্যমে চলিত গদ্যরীতির সার্থক রূপ ও প্রতিষ্ঠা ঘটে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক গদ্য ও মননশীল প্রবন্ধের প্রবর্তক। - সবুজ পত্ৰ পত্রিকা ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি চলিত ভাষার আন্দোলনকে বেগবান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ তেলেনাবপোতা আবিষ্কার। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যেখানে চলিত গদ্যরীতির শিল্পসম্মত ব্যবহার দেখা যায়। উদাহরণ ২: বীরবলের হালখাতা। ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি জনপ্রিয় প্রবন্ধ সংকলন যা তাঁর ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেকচাঁদ ঠাকুর — পিয়ারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর হলেও তিনি প্রথম আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসে সাধু ও চলিত মিশ্রিত ভাষা ব্যবহার করেছিলেন, সার্থক প্রবর্তক নন। B) বিদ্যাসাগর — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর গদ্যের জনক হলেও তিনি সাধু রীতির পরিমার্জন ও শৃঙ্খলায় বেশি অবদান রেখেছিলেন। D) বনফুল — বনফুল বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম এবং তিনি মূলত ছোটগল্পের জন্য বিখ্যাত, চলিত গদ্যের প্রবর্তক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - চলিত রীতির সার্থক রূপকার বীরবল বা প্রমথ চৌধুরী এবং তাঁর মুখপত্র ছিল সবুজ পত্ৰ। - সবুজ পত্র পত্রিকার নাম মনে রাখলে চলিত গদ্যের ইতিহাস সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্যরীতির জনক এবং সার্থক রূপকারের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেন গদ্যের জনক আর প্রমথ চৌধুরী হলেন চলিত গদ্যের সার্থক প্রবর্তক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0