প্রশ্নের বর্ণনা

a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c প্রমথ চৌধুরী
d কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - ‘চার ইয়ারী কথা’ গ্রন্থটির রচয়িতা প্রমথ চৌধুরী। এটি তাঁর বিখ্যাত একটি প্রবন্ধ বা রম্যরচনা সংকলন। - বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে প্রমথ চৌধুরীর বিশেষ অবদান রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন। তাঁর সাহিত্যিক গুরু ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - ‘চার ইয়ারী কথা’ একটি মননশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক কথাসাহিত্যমূলক গ্রন্থ, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘সোনালী কাবিন’ আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক বাংলা কবিতার একটি অন্যতম প্রধান মাইলফলক এবং গ্রামীণ জীবনের চিত্র ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: ‘বিষবৃক্ষ’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে উনিশ শতকের বাঙালি সমাজের পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও নৈতিকতা সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও ‘চার ইয়ারী কথা’ তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে দেবদাস ও চরিত্রহীন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা প্রমথ চৌধুরী, রবীন্দ্রনাথ নন। C) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই সাহিত্যকর্ম। D) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং তাঁর সম্পাদিত পত্রিকার নাম সবুজপত্র মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। - চার ইয়ারী কথার সঙ্গে প্রমথ চৌধুরীর অন্যান্য গ্রন্থ যেমন পদচারণা ও তেলেনাবপো আবিষ্কার একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের ছদ্মনাম ও বিখ্যাত গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যকর্ম এবং তাঁর সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0