প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯০০ সালে
b ১৯০১ সালে
c ১৯০২ সালে
d ১৯০৩ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০১ সালে ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০১ সালে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার বোলপুরের কাছে শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন যা পরবর্তীতে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেয়। এই প্রতিষ্ঠানটি প্রথাগত শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে মুক্ত প্রকৃতির কোলে গড়ে উঠেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও দার্শনিক যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাখ্যা: ১৯০১ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রহ্মচর্যাশ্রম পরবর্তীতে ১৯২১ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। উদাহরণ ২: জীবনস্মৃতি ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে তাঁর জীবনের নানা স্মৃতির সঙ্গে শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠার পটভূমি সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০০ সালে — এই সালে শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠিত হয়নি বরং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই চিন্তাভাবনা ও প্রস্তুতি পর্বের সময় এটি। B) ১৯০১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত ব্রহ্মচর্য আশ্রমের স্থানে বিদ্যালয়টি চালু হয়। C) ১৯০২ সালে — এই সালে শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠিত হয়নি বরং বিদ্যালয়টি চালুর পরের বছর হিসেবে এটি ভুল। D) ১৯০৩ সালে — এই সালে শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠিত হয়নি কারণ এর কার্যক্রম ১৯০১ সালেই শুরু হয়ে গিয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ১৯০১ সালে শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯২১ সালে একে বিশ্বভারতীতে রূপ দেন। এক ও এক মিলে একুশ অর্থাৎ ১৯০১ সালে শুরু আর ১৯২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয় রূপ লাভ মনে রাখতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠার সালটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে। প্রতিষ্ঠানের নাম এবং প্রতিষ্ঠাতা বা সাল সম্পর্কিত তথ্য ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0