প্রশ্নের বর্ণনা

a ১০ বছর বয়সে
b ১২ বছর বয়সে
c ১৫ বছর বয়সে
d ১৭ বছর বয়সে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭ বছর বয়সে ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হওয়ার সময় তাঁর বয়স ছিল ১৭ বছর। ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত বনফুল কাব্যগ্রন্থটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ বনফুল ১৭ বছর বয়সে ১৮৭৮ সালে আত্মপ্রকাশ করে, যা বাংলা সাহিত্য জগতে তাঁর পদার্পণের সূচনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত নাটক বাল্যকালে রচিত রুদ্রচণ্ড বা ভিখারিনী গল্প। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরুর দিকের একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। উদাহরণ ২: কবি হিসেবে রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বনফুল প্রকাশের পর একে একে মানসী, সোনার তরী ও গীতাঞ্জলি প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থগুলো তাঁর সাহিত্যিক উৎকর্ষের বিভিন্ন ধাপ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ বছর বয়সে — এই বয়সে রবীন্দ্রনাথের কোনো কাব্য বা গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল তথ্য। B) ১২ বছর বয়সে — ১২ বছর বয়সে তাঁর কোনো মৌলিক কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হওয়ার তথ্য সঠিক নয়। C) ১৫ বছর বয়সে — ১৫ বছর বয়সে তিনি কিছু লেখালেখি করলেও প্রথম কাব্য প্রকাশিত হয়নি। D) ১৭ বছর বয়সে — এই বয়সটি তাঁর প্রথম কাব্য বনফুল প্রকাশের সঠিক সাল অনুযায়ী নির্ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্য বনফুল এবং বয়স ১৭ মনে রাখতে সংখ্যাটি ১৭ এবং বনফুল শব্দটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির বয়স ও প্রথম রচনার সাল একসঙ্গে নোট করে পড়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম বনফুল এবং প্রকাশের সাল ১৮৭৮। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রথম কাব্য, প্রথম নাটক ও প্রথম উপন্যাস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0