প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c শামসুর রাহমান
d অক্ষয়কুমার বড়াল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: 'সেজুঁতি' হলো বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে কবির জীবনের অন্তیم পর্যায়ের গভীর জীবনদর্শন ও মননশীল ভাবনার প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। 'সেজুঁতি' কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি কবির পরিণত বয়সের কাব্যসাধনার একটি অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'শেষের কবিতা' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'গীতাঞ্জলি' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্ববিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, তবে 'সেজুঁতি' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, তবে এই গ্রন্থের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। D) অক্ষয়কুমার বড়াল — তিনি উনিশ শতকের শেষভাগের একজন উল্লেখযোগ্য গীতিকবি, 'সেজুঁতি' তাঁর রচনা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের শেষের দিকের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য প্রবীণ বয়সের মননশীল ও দার্শনিক থিমগুলো মাথায় রাখতে হবে। 'সেজুঁতি' নামটি প্রদীপের সঙ্গে সম্পৃক্ত, যা রবীন্দ্রনাথের শেষ জীবনের আলো ও দর্শনের প্রতীক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনের কাব্যগ্রন্থগুলোর প্রকাশকাল ও নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের পরিণত বয়সের সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে চর্চা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0