প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c গোলাম মোস্তফা
d সুফিয়া কামাল
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত পংক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মুখপত্র হিসেবে পরিচিত 'সবুজ' কবিতার অংশ। এখানে কবি জরা, ক্লান্তি ও পঙ্কিলতা দূর করে তারুণ্যের শক্তি ও উদ্যম দিয়ে সমাজকে পুনর্জাগরিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। এই কবিতাটি তার তারুণ্য ও গতিশীলতার প্রতীক যেখানে যৌবনের অপ্রতিরোধ্য শক্তিকে জীবনের প্রতিকূলতা মোকাবেলার হাতিয়ার হিসেবে দেখানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'সোনার তরী' কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি মানবজীবনের নশ্বরতা ও কর্মের ফল প্রাপ্তির আশাকে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'গীতাঞ্জলি'। ব্যাখ্যা: এটি আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য সৃষ্টি যা বিশ্বসাহিত্যে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার এনে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পংক্তিটি তারই রচিত কবিতার বিখ্যাত উদ্ধৃতি। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হলেও এই নির্দিষ্ট পংক্তিটি তার কোনো রচনার অংশ নয়। C) গোলাম মোস্তফা — তিনি একজন প্রখ্যাত ইসলামি ধারার কবি হলেও এই পংক্তিটির রচয়িতা নন। D) সুফিয়া কামাল — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথিতযশা কবি হলেও এই বিখ্যাত পংক্তিটি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সবুজ, অবুজ বা কাঁচা শব্দগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তারুণ্যভিত্তিক কবিতায় বেশি পাওয়া যায়। কবিতায় যৌবনের জয়গান ও নবীনদের জাগরণের ডাক দেখলে সাধারণত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উত্তর হিসেবে ধরে নিতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতি থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তারুণ্য ও প্রগতিমূলক কবিতাগুলোর নাম ও মূলভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0