প্রশ্নের বর্ণনা

a এজরা পাউন্ড
b টি এস ইলিয়ট
c ডবলিউ. বি. ইয়েটস
d কীটস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডবলিউ. বি. ইয়েটস ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের নাম সংকলনটির নামকরণ করা হয়েছিল সং অফারিংস বা Song Offerings নামে। - প্রখ্যাত আইরিশ কবি ডবলিউ. বি. ইয়েটস বা উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস এই ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন এবং তা সম্পাদনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গীতাঞ্জলি ১৯১০ সালে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ভক্তিমূলক কবিতার জন্য পরিচিত। - এই কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডবলিউ. বি. ইয়েটস একজন বিখ্যাত আইরিশ কবি এবং নাট্যকার ছিলেন যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। ব্যাখ্যা: তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখে বিশ্ব দরবারে তার কাব্যকে পরিচিত করতে সাহায্য করেছিলেন। উদাহরণ ২: সং অফারিংস বা Song Offerings হলো গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের সেই ইংরেজি রূপ যার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি সংকলনটি প্রকাশের পর পশ্চিমা বিশ্বে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এজরা পাউন্ড — তিনি একজন আমেরিকান কবি হলেও গীতাঞ্জলি সম্পাদনা করেননি তবে তিনি রবীন্দ্রনাথের কবিতার প্রশংসক ছিলেন। B) টি এস ইলিয়ট — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি ও সমালোচক যিনি গীতাঞ্জলি অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) ডবলিউ. বি. ইয়েটস — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন ও সম্পাদনা করেছিলেন। D) কীটস — জন কিটস রোমান্টিক যুগের একজন ইংলিশ কবি যিনি রবীন্দ্রনাথের অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের সম্পাদক ছিলেন ইয়েটস আর ভূমিকাও তিনি লিখেছিলেন। - নোবেল জয়ের পেছনে এই সম্পাদনা ও ভূমিকা বড় ভূমিকা রেখেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গীতাঞ্জলি প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে এবং এর ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার পান ১৯১৩ সালে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0