প্রশ্নের বর্ণনা

a সুইজারল্যান্ড
b তুরস্ক
c জাপান
d জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৬ সালে জাপান ভ্রমণ করেন এবং সেদেশের সমাজ, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনযাত্রা পর্যবেক্ষণ করে প্রাবন্ধিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বেশ কিছু রচনা লেখেন। - তাঁর এই ভ্রমণ অভিজ্ঞতার ফসল হলো 'জাপান-যাত্রী' নামক বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি ও প্রবাসমূলক প্রবন্ধগ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান একচ্ছত্র অধিপতি যিনি কবিতা, গান, নাটক, ছোটগল্পের পাশাপাশি ভ্রমণসাহিত্য ও প্রবন্ধেও বিশেষ অবদান রাখেন। - তাঁর ভ্রমণকাহিনিমূলক গ্রন্থগুলোর মধ্যে 'জাপান-যাত্রী', 'রূশিয়ার চিঠি' এবং 'পারিষদ' অত্যন্ত সুপরিচিত ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'রূশিয়ার চিঠি' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোভিয়েত ইউনিয়ন বা রাশিয়া ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা একটি বিখ্যাত পত্রসাহিত্য ও প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'ইউরোপ-যাত্রীর ডায়েরি' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম জীবনের ইউরোপ ভ্রমণের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি মননশীল ভ্রমণকাহিনি ও প্রবন্ধমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইজারল্যান্ড — সুইজারল্যান্ডে রবীন্দ্রনাথ ভ্রমণ করলেও তা নিয়ে কোনো স্বতন্ত্র প্রবন্ধগ্রন্থ লেখেননি, তাই এটি সঠিক নয়। B) তুরস্ক — তুরস্ক ভ্রমণের মাধ্যমে তিনি সরাসরি কোনো উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনি বা প্রবন্ধের জন্ম দেননি, তাই এটি ভুল। D) জার্মানি — জার্মানিতে তাঁর যাতায়াত ও সংবর্ধনা থাকলেও জাপান ভ্রমণের মতো সুনির্দিষ্ট প্রবন্ধগ্রন্থ তিনি জার্মানি নিয়ে লেখেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত দেশভ্রমণমূলক প্রবন্ধ মনে রাখতে 'জাপান' ও 'রাশিয়া' এই দুটি দেশ সবার আগে মাথায় রাখবে। - প্রশ্ন দেখলে মনে রাখবে রবীন্দ্রনাথ পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপান ভ্রমণ করে 'জাপান-যাত্রী' প্রবন্ধ লিখেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের ভ্রমণকাহিনি ও প্রবন্ধমূলক গ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - 'জাপান-যাত্রী' কোন ধরনের রচনা বা কোন দেশের অভিজ্ঞতার ফল, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0