প্রশ্নের বর্ণনা

a কলকাতার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা
b প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
c অসহযোগ আন্দোলন
d বঙ্গবিভাগজনিত জাতীয় আন্দোলন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বঙ্গবিভাগজনিত জাতীয় আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ও বঙ্গবিভাগবিরোধী জাতীয় আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানটি রচনা করেন। - সে সময়ে বাঙালি জাতিকে একসূত্রে বাঁধার জন্য এবং স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা জাগাতে গানটি রচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ রোধ ও স্বদেশি আন্দোলনের সময় এই গানটি রচনা ও সুর করেন। - পরবর্তীকালে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই গানটিকে আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান যা স্বদেশি আন্দোলনের সময় রচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা ব্যাখ্যা: এই গানটিও বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত দেশপ্রেমের এক অনন্য সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলকাতার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা — এটি এই গান রচনার প্রেক্ষাপট নয় কারণ দাঙ্গা প্রতিরোধ নয় বরং জাতীয় ঐক্যের টানে গানটি লেখা হয়। B) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ — এই গানটি বিশ্বযুদ্ধের অনেক আগে ১৯০৫ সালে রচিত হয়েছিল তাই এটি সঠিক নয়। C) অসহযোগ আন্দোলন — অসহযোগ আন্দোলন ১৯২০ সালের ঘটনা যার সঙ্গে এই গান রচনার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। D) বঙ্গবিভাগজনিত জাতীয় আন্দোলন — এটি সঠিক কারণ ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল এবং তখনই গানটি রচিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একসঙ্গে মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে স্মরণে রাখা যায়। - মনে রাখবে বঙ্গবিভাগবিরোধী আন্দোলন থেকেই আমাদের জাতীয় সংগীতের জন্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় সংগীতের রচিয়তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি প্রথম প্রকাশিত হয় বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ১৩১২ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে। - একই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে গানের রচিয়তা, প্রেক্ষাপট বা প্রকাশের সাল প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0