প্রশ্নের বর্ণনা

a অগ্নিবীণা
b সোনার তরী
c চিত্রা
d বলাকা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - অগ্নিবীণা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও তাদের বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করতে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অগ্নিবীণা ১৯২২ সালে প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলামের groundbreaking কাব্যগ্রন্থ যার মধ্যে বিদ্রোহী কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে নোবেলজয়ী কবি হলেও অগ্নিবীণা তার রচনার তালিকায় নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: সঞ্চিতা হলো কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার সংকলন, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: সোনार তরী ব্যাখ্যা: সোনार তরী হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং রবীন্দ্রনাথের রচনা নয়। B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম বিখ্যাত ও কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ। C) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। D) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেখানে গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অগ্নিবীণা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কথা মনে রাখবে। - রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য সোনार তরী ও বলাকার মতো প্রধান বইগুলোর তালিকা বারবার পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য চাকরীর পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুল ও রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম অদলবদল করে জানতে চাওয়া হয়। - কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নামগুলো আলাদাভাবে নোট করে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য খুবই কার্যকর।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0