প্রশ্নের বর্ণনা

a ছোটগল্প
b প্রবন্ধ
c উপন্যাস
d কাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রবন্ধ ১. কেন সঠিক: - কালান্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যেখানে তৎকালীন সমাজ, রাজনীতি ও সংস্কৃতি নিয়ে গভীর চিন্তন প্রকাশ পেয়েছে। - গ্রন্থের নামটি সময়ের পরিবর্তন বা কাল বদলের অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা প্রবন্ধ সাহিত্যের মূল বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যজগতের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিভা যিনি কবিতা, গান ও ছোটগল্পের পাশাপাশি প্রাবন্ধিক হিসেবেও অনন্য অবদান রেখেছেন। - কালান্তর গ্রন্থে সংকলিত প্রবন্ধগুলোতে লেখকের সমাজদর্শন, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতা এবং কালপ্রবাহের পরিবর্তনশীল রূপ স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কালান্তর গ্রন্থে সংকলিত সভ্যতার সংকট প্রবন্ধটি অত্যন্ত বিখ্যাত। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিন্তামূলক প্রবন্ধ যেখানে তিনি বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সভ্যতার নৈতিক সংকট তুলে ধরেছেন। উদাহরণ ২: সঞ্চয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যসংকলন। ব্যাখ্যা: এটি তার নির্বাচিত কবিতার সংকলন হলেও কালান্তর সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার একটি গদ্য ও প্রবন্ধভিত্তিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোটগল্প — কালান্তর কোনো কল্পকাহিনি বা ছোটগল্পের সংকলন নয়, এটি বুদ্ধিবৃত্তিক ও চিন্তামূলক গদ্যের সমষ্টি। B) প্রবন্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কালান্তর একটি প্রামাণ্য প্রবন্ধগ্রন্থ। C) উপন্যাস — কালান্তর কোনো দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা উপন্যাস নয়, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। D) কাব্য — কালান্তর পদ ছন্দে রচিত কোনো কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত প্রবন্ধের বই। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো কালান্তর, সঞ্চয়, কালপ্যাচ বা কালাকাল জাতীয় গদ্যভিত্তিক নামগুলোর দিকে নজর রাখা। - কাল শব্দটি দিয়ে সাধারণত তার চিন্তাশীল ও সমাজমুখী প্রবন্ধগ্রন্থগুলোকে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধ, উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের নাম আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - লেখকের অন্যান্য প্রধান প্রবন্ধগ্রন্থ যেমন কালান্তর, বিচিত্র প্রবন্ধ এবং আধুনিক সাহিত্য ভালোভাবে পড়ে যাওয়া উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0