প্রশ্নের বর্ণনা

a সভ্যতার সংকট
b কঙ্কাল
c ল্যাবরেটরী
d বিশ্বপরিচয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিশ্বপরিচয় ১. কেন সঠিক: - বিশ্বপরিচয় হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধগ্রন্থ। - ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে তিনি সাধারণ পাঠকের জন্য বিজ্ঞানকে সহজ ও সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক হলেও বিজ্ঞানের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ ছিল। - তাঁর বিজ্ঞানচিন্তার পরিচয় মেলে এই গ্রন্থে, যেখানে পদার্থবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞানসহ বিজ্ঞানের নানা দিক বাংলা ভাষায় সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অণু ও পরমাণু ব্যাখ্যা: বিশ্বপরিচয় গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ পদার্থবিজ্ঞানের এই মৌলিক বিষয়গুলো খুব সহজ করে বুঝিয়ে দিয়েছেন। উদাহরণ ২: সৌরজগৎ ও নক্ষত্রলোক ব্যাখ্যা: জ্যোতির্বিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলোকে তিনি সাধারণ মানুষের বোধগম্য ভাষায় এই গ্রন্থে আলোচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সভ্যতার সংকট — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মননশীল ও দার্শনিক প্রবন্ধ, যা তাঁর জীবনের শেষ পর্বে রচিত হয়। এটি বিজ্ঞান বিষয়ক কোনো গ্রন্থ নয়। B) কঙ্কাল — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রহস্যধর্মী ছোটগল্প সংকলন, কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ নয়। C) ল্যাবরেটরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প বা মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসিকা, যা বিজ্ঞানের ওপর লেখা কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ নয়। D) বিশ্বপরিচয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাঁর বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিশ্ব প্রকৃতি ও বিজ্ঞানের পরিচয় পেতে হলে রবীন্দ্রনাথের বিশ্বপরিচয় পড়তে হয়। এভাবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিজ্ঞান বিষয়ক একমাত্র প্রধান প্রবন্ধগ্রন্থ হলো বিশ্বপরিচয়। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0