প্রশ্নের বর্ণনা

a গোরা/চার অধ্যায়
b যোগাযোগ
c চোখের বালি
d নৌকাডুবি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গোরা/চার অধ্যায় ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বাজাত্যবোধের গভীর প্রকাশ ঘটেছে 'গোরা' এবং 'চার অধ্যায়' উপন্যাসে। গোরা উপন্যাসে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতি ও জাতীয়তাবাদের স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে, আর চার অধ্যায় উপন্যাসে বিশ শতকের ত্রাসের রাজনীতির জটিল রূপ তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি সাহিত্যিক, যিনি গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। গোরা প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে এবং চার অধ্যায় প্রকাশিত হয় ১৯৩৪ সালে, যা তাঁর জীবনের শেষ উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গোরা' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাস যেখানে ভারতীয় জাতীয়তাবাদ ও গোঁড়ামির স্বরূপ তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চার অধ্যায়' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি রাজনৈতিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত যেখানে বিপ্লবী রাজনীতির অন্ধতা ও প্রেমের ট্র্যাজেডি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোরা/চার অধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাস দুটিতে রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। B) যোগাযোগ — এটি মূলত দাম্পত্য সম্পর্ক, পারিবারিক দ্বন্দ্ব এবং অভিজাত শ্রেণির অবক্ষয় নিয়ে রচিত একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। C) চোখের বালি — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা পরকীয়া প্রেম ও পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে রচিত। D) নৌকাডুবি — এটি একটি রোমান্টিক এবং সমাজবাস্তবতাভিত্তিক উপন্যাস, যা ভুল বোঝাবুঝি ও ভাগ্যের নির্মম পরিহাস নিয়ে আবর্তিত। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক উপন্যাসের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো গোরা ও চার অধ্যায় রাজনীতি নিয়ে লেখা। অন্যদিকে চোখের বালি ও নৌকাডুবি মূলত সমাজ ও সম্পর্কভিত্তিক উপন্যাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসগুলোকে তাদের বিষয়বস্তু অনুযায়ী শ্রেণিবিভাগ করতে বলা হয়। যেমন সামাজিক, মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাসের পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0