প্রশ্নের বর্ণনা

a কায়কোবাদ
b ফররুখ আহমদ
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত কবিতাংশটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত বর্ষার গান বা কবিতার অংশ বিশেষ। - বর্ষার প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তুলতে কবি এই পঙক্তিতে আষাঢ় মাসের মেঘের গম্ভীর ও স্নিগ্ধ রূপের বর্ণনা করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নের ধরন হলো বাংলা সাহিত্য, বিশেষ করে কবি ও কবিতা এবং সাহিত্যিক উদ্ধৃতি। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও গানসহ সাহিত্যের সকল শাখায় অনন্য অবদান রেখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে রূ ঝূ ঝূ রূ ঝূ ঝূ বরষা। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি জনপ্রিয় বর্ষার গান যা বর্ষা প্রকৃতির সৌন্দর্য প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: আবার জমেছে মেঘ আকাশে, কে যেন তোমারে ডেকেছে পাশে। ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বর্ষা প্রকৃতির রূপবৈচিত্র্য নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত পঙক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কায়কোবাদ — কায়কোবাদ মহাকবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই ধরনের গীতিধর্মী বর্ষার পঙক্তি তাঁর রচনায় প্রধান নয়। B) ফররুখ আহমদ — ফররুখ আহমদ মূলত ইসলামি ও ঐতিহ্যবাহী কাব্যের জন্য বিখ্যাত এবং তাঁর লেখার ধরণ ভিন্ন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী ও প্রেমের কবি হলেও তাঁর বর্ষার গান বা কবিতার সুর ও ভাষা ভিন্ন প্রকৃতির। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে এই অপশনটি সম্পূর্ণ মিলে যায় এবং এটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্ষা ঋতু নিয়ে লেখা বিখ্যাত গান বা পঙক্তি দেখলে সবার আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের প্রকৃতিভিত্তিক গানগুলো মনে করতে হবে। - আষাঢ় ও মেঘ সম্পর্কিত এমন স্নিগ্ধ পঙক্তিগুলো সাধারণত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতবিতান বা বর্ষার গান থেকে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিদের কবিতার চরণ বা উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ কবিতার প্রথম লাইনগুলো মনে রাখা জরুরি। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য কবির লেখার মূল সুর ও প্রকৃতিপ্রেমের বৈশিষ্ট্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0