প্রশ্নের বর্ণনা

a ডব্লিও বি ইয়েটস্
b টি এস ইলিয়ট
c মিল্টন
d শেলী/কীটস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডব্লিও বি ইয়েটস্ ১. কেন সঠিক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের নাম ‘সং অফারিংস’। এই বিখ্যাত ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন আয়ারল্যান্ডের বিখ্যাত নোবেলজয়ী কবি ডব্লিও বি ইয়েটস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ইয়েটসের লেখা ভূমিকাটি এই কাব্যগ্রন্থের আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও সাহিত্যমূল্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডব্লিও বি ইয়েটস ব্যাখ্যা: তিনি একজন প্রখ্যাত আইরিশ কবি এবং বিংশ শতাব্দীর ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। উদাহরণ ২: সং অফারিংস ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ ও অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের কবিতার ইংরেজি রূপান্তর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডব্লিও বি ইয়েটস্ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি গীতাঞ্জলির ইংরেজি সংস্করণের ভূমিকা লিখেছিলেন। B) টি এস ইলিয়ট — তিনি আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি হলেও গীতাঞ্জলির ভূমিকা লেখেননি। C) মিল্টন — জন মিল্টন সপ্তদশ শতকের একজন বিখ্যাত ইংরেজি কবি, যার সঙ্গে এই ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। D) শেলী/কীটস — পার্সি বিশি শেলী এবং জন কীটস রোমান্টিক যুগের কবি, যারা এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নোবেল জয়ে ইংরেজি গীতাঞ্জলির ভূমিকা লিখেছিলেন ইয়েটস। মনে রাখতে পারেন ইয়েটস এনেছিলেন বিশ্বমঞ্চের খ্যাতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গীতাঞ্জলি প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে এবং এর ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে। নোবেল পুরস্কার অর্জনে এই ইংরেজি অনুবাদটি প্রধান ভূমিকা রেখেছিল।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0