প্রশ্নের বর্ণনা

a শেষের কবিতা
b সোনার তরী
c বীরাঙ্গনা
d বলাকা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরাঙ্গনা ১. কেন সঠিক: - বীরাঙ্গনা কাব্যটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত নয়, এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত পত্রকাব্য। - প্রশ্নটিতে এমন একটি গ্রন্থ সনাক্ত করতে বলা হয়েছে যার রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বীরাঙ্গনা কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য এবং এর রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন তাঁর কবিতা, গান, ছোটগল্প ও উপন্যাসের মাধ্যমে, যার মধ্যে শেষের কবিতা, সোনার তরী ও বলাকা অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি মহাকাব্য, যা বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের সার্থক প্রয়োগের জন্য বিখ্যাত। উদাহরণ ২: মানসী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর কবিজীবনের দ্বিতীয় পর্যায়ের সূচনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, তাই এটি উত্তর নয়। B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রকৃতিভিত্তিক প্রতীকী কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি সঠিক নয়। C) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত পত্রকাব্য, তাই এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলৎশীলতার ও গতির প্রতীকসমৃদ্ধ একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কাব্যগুলোর মধ্যে সোনার তরী ও বলাকা রয়েছে এবং উপন্যাসের মধ্যে শেষের কবিতা রয়েছে। - মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টিগুলো হলো মেঘনাদবধ কাব্য ও বীরাঙ্গনা কাব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনাবলি আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0