প্রশ্নের বর্ণনা

a শেষের কবিতা
b সোনার তরী
c কৃষ্ণকুমারী
d বলাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃষ্ণকুমারী ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত নয় কারণ 'কৃষ্ণকুমারী' নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা। - প্রশ্নটিতে কোন গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথের নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই অন্য অপশনগুলোর তুলনায় এটি সম্পূর্ণ আলাদা ও সঠিক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'কৃষ্ণকুমারী' হলো মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি বা বিয়োগাত্মক নাটক, যা ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। - এই নাটকের মূল কাহিনী রাজস্থান বা মেবারের ইতিহাসের একটি করুণ ঘটনা নিয়ে রচিত যেখানে রাজকুমারীর আত্মবলিদানের বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শর্মিষ্ঠা ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম নাটক, যা ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি নাটক যা গ্রীক মিথের প্রভাবে রচিত এবং এতে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় গদ্যধর্মী রোমান্টিক উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। B) সোনার তরী — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত পরিচিত ও দর্শনাশ্ৰয়ী একটি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। C) কৃষ্ণকুমারী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়, বরং এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি ঐতিহাসিক ট্রাজেডি নাটক। D) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে গতির দর্শন প্রকাশ পেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্তের নাটকগুলো মনে রাখার কৌশল হলো শর্মিষ্ঠা ও পদ্মাবতী দুই সখী কৃষ্ণকুমারী নাটক দেখতে গিয়ে মেঘনাদবধ কাব্য পড়েছিল। - রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখতে শেষের কবিতা ও যোগাযোগ উপন্যাসের নামের তালিকা আলাদা করে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাটকে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও ট্রাজেডির প্রবর্তন করেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের নাটক ও উপন্যাসের নাম মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0