প্রশ্নের বর্ণনা

a হৈমন্তী
b বিলাসী
c কোরবানী
d মহেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হৈমন্তী ১. কেন সঠিক: - হৈমন্তী ছোটগল্পে তৎকালীন সমাজে প্রচলিত যৌতুক প্রথা ও এর ভয়াবহ কুফল অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হৈমন্তীর মৃত্যুর পেছনে পরোক্ষভাবে লোভী সমাজের যৌতুকপ্রীতি ও অর্থলোভ দায়ী ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হৈমন্তী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ১৩২২ বঙ্গাব্দের কার্তিক সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। - এই গল্পে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তৎকালীন বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজের অন্ধ সংস্কার ও কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার অসহায়ত্বকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেনাপাওনা গল্প ব্যাখ্যা: এই গল্পেও যৌতুক প্রথার নির্মমতার কারণে একটি মেয়ের জীবনের অপমৃত্যু ও ট্র্যাজেডি তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিবাহ রেজিস্ট্রি গল্প ব্যাখ্যা: এই গল্পেও তৎকালীন সমাজের নানা কুসংস্কার ও বিয়ের নানা অসঙ্গতি ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৈমন্তী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গল্পে যৌতুক প্রথার প্রধান্য রয়েছে। B) বিলাসী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যেখানে মানবপ্রেম ও সমাজজীবনের কুসংস্কার প্রধান্য পেয়েছে। C) কোরবানী — এটি কোনো বিখ্যাত বাংলা ছোটগল্প বা সাহিত্যকর্মের নাম নয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত আসে। D) মহেশ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি মার্মস্পর্শী ছোটগল্প যেখানে দরিদ্র কৃষক ও তার পোষা গরুর ভালোবাসার মধ্য দিয়ে সামাজিক নিপীড়ন ফুটে উঠেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমাজে যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের প্রতিবাদের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যরূপ হলো হৈমন্তী গল্প। - হৈমন্তী নামটির সাথে সমাজ সচেতনতা এবং যৌতুকের ট্র্যাজেডি শব্দটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হৈমন্তী গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্পগুচ্ছ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ গল্প। - এই ধরনের সামাজিক সমস্যাভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0