প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b প্রমথ চৌধুরী
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্পকার বলা হয় কারণ তিনি প্রথম বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের আধুনিক সংজ্ঞা, শিল্পরূপ এবং বৈশিষ্ট্য সফলভাবে ফুটিয়ে তোলেন। তাঁর ছোটগল্পে জীবনের খণ্ডচিত্র, গভীর মনস্তত্ত্ব ও মানুষের দুঃখ-সুখের বাস্তব রূপ অত্যন্ত নিপুণভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সালে পদ্মায় জমিদারি দেখাশোনার দায়িত্ব নিয়ে শিলাইদহে অবস্থানকালে ছোটগল্প রচনায় বিশেষভাবে মনোনিবেশ করেন। তাঁর 'ভিখারिणी' গল্পটিকে অনেকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্প হিসেবে গণ্য করেন, যা ১৮৯১ সালে 'সাধনা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হৈমন্তী ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তক্ষু ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর ছোটগল্প, যেখানে তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: ক্ষুধিত পাষাণ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অসাধারণ মনস্তাত্ত্বিক ও অতিলৌকিক বা রহস্য ঘরানার ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — সঠিক উত্তর, কারণ তিনি বাংলা ছোটগল্পের জনক ও প্রথম সার্থক ছোটগল্পকার। B) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক চলিত রীতির প্রবর্তক ও প্রবন্ধকার, ছোটগল্পকার নন। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার নন। D) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, তবে প্রথম ছোটগল্পকার নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ছোটগল্পের সার্থক রূপকার রবীন্দ্রনাথ, আর উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র। এই পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ছোটগল্পের সুবর্ণযুগ বলা হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাধনা পত্রিকার সময়কালকে। রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প সংকলনের নাম 'গল্পগুচ্ছ'।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0