প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b মীর মশাররফ হোসেন
c মুনীর চৌধুরী
d নুরুল মোমেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - ‘চিরকুমার সভা’ নাটকটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - এটি মূলত কমেডি বা প্রহসনধর্মী একটি নাটক যা সমাজের গতানুগতিক রীতিনীতির বিরুদ্ধে এক ধরনের হালকা চালের প্রতিবাদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - ‘চিরকুমার সভা’ নাটকটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত সংস্কৃত ‘প্রিয়দর্শিকা’ নাটকের কাহিনীর ছায়া অবলম্বনে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘বিকাশ’ নাটকটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম একটি সামাজিক নাটক। ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাট্যসাহিত্যের বৈচিত্র্য বোঝাতে এটি একটি উপযুক্ত উদাহরণ। উদাহরণ ২: ‘চিরকুমার সভা’ নাটকে অক্ষয় কুমার দত্তগুপ্ত ও চন্দ্রবাবু চরিত্রগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাখ্যা: নাটকের ভেতরের চরিত্রগুলোর নাম জানা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই বিখ্যাত নাটকটির রচয়িতা। B) মীর মশাররাত হোসেন — তিনি বিষাদসিন্ধু ও জামেতারার মতো বিখ্যাত উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন। C) মুনীর চৌধুরী — তিনি মুখরা রমণী বশীকরণ ও রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের জন্য বিখ্যাত হলেও চিরকুমার সভার সঙ্গে যুক্ত নন। D) নুরুল মোমেন — তিনি নেপথ্য নাটক এবং নির্দেশক হিসেবে পরিচিত হলেও এই নাটকটি তাঁর লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের নাটকের নাম মনে রাখার জন্য নাটকের বিষয়বস্তু যেমন কমেডি বা ট্র্যাজেডি আলাদা করে মনে রাখতে পারো। - চিরকুমার সভা একটি সামাজিক কমেডি নাটক, যার স্রষ্টা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। - শেকড় ও মূল গ্রন্থ বা নাটকের রূপান্তর সম্পর্কে ধারণা থাকলে এমন প্রশ্ন ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0