প্রশ্নের বর্ণনা

a চতুর্দশী
b চুতষ্পাঠী
c চতুর্দশপদী
d চার অধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চার অধ্যায় ১. কেন সঠিক: চার অধ্যায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন এবং সেকালের যুবসমাজের আদর্শগত সংঘাত চিত্রিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা যিনি কবিতা, গান, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসে সমান পারদর্শী ছিলেন। চার অধ্যায় উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলো হলো ইলা এবং অতীন, যাদের প্রেমের চেয়েও দেশের রাজনৈতিক আদর্শ বড় হয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি জনপ্রিয় মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা জমিদার বংশের দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুর্দশী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো রচনা নয়, বরং এটি কবি গোলাম মোস্তফার একটি বিখ্যাত সনেট সংকলন। B) চুতষ্পাঠী — এটি কোনো সাহিত্যকর্ম নয়, বরং প্রাচীনকালে হিন্দু ধর্মের শিক্ষার বিশেষ প্রতিষ্ঠান বা টোল বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। C) চতুর্দশপদী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়, এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত চতুর্দশপদী কবিতাবলী কাব্যগ্রন্থ। D) চার অধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশিষ্ট রাজনৈতিক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের শেষ রাজনৈতিক উপন্যাস মনে রাখতে চার শব্দ এবং অধ্যায় শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখবে। উপন্যাসের নাম চার অধ্যায় হওয়ায় এর চরিত্র সংখ্যাও প্রধানত চারজন মূল রাজনৈতিক ও আদর্শিক চরিত্রের আবর্তে ঘোরে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চার অধ্যায় উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৪ সালে যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যান্য রাজনৈতিক উপন্যাস হলো গোরা এবং ঘরের বাইরে, যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0