প্রশ্নের বর্ণনা

a সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
b সুকুমার সেন
c হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
d পবিত্র সরকার
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের একটি বিশেষ অংশে প্রখ্যাত ভাষাবিদ ও সাহিত্যসাধক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নাম পাওয়া যায়। উপন্যাসের কোনো কোনো প্রসঙ্গে ও চরিত্রের সংলাপে প্রাচীন বাংলা সাহিত্য ও ভাষাতত্ত্বের আলোচনায় তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক ও কাব্যিক উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য সেনের প্রেমের গল্পের পাশাপাশি সেকালের বুদ্ধিজীবী সমাজের রুচি ও সাহিত্যচর্চার পরিচয় ফুটে ওঠে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেষের কবিতা উপন্যাসের প্রারম্ভিক অংশে কেতকী বা লতিকার প্রসঙ্গ আসে। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সংলাপের মধ্য দিয়ে তৎকালীন আধুনিক বাঙালি সমাজের মনস্তত্ত্ব প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাসেও সেকালের সামাজিক নানা প্রথার উল্লেখ আছে। ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসগুলোতে তৎকালীন সময়ের বিশিষ্ট পণ্ডিত ও সমাজের নানা দিক প্রতিফলিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি প্রখ্যাত ভাষাবিদ হলেও ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসে তাঁর নাম সরাসরি পাওয়া যায় না। B) সুকুমার সেন — তিনি বিশিষ্ট সাহিত্য ইতিহাসবিদ হলেও এই উপন্যাসে তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়নি। C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রাচীন বাংলার চর্যাপদের আবিষ্কারক ও ভাষাবিদ হিসেবে উপন্যাসে তাঁর প্রসঙ্গ এসেছে। D) পবিত্র সরকার — তিনি আধুনিক যুগের ভাষাবিজ্ঞানী ও প্রাবন্ধিক, যা এই উপন্যাসের কাল বা রচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শেষের কবিতা উপন্যাসে প্রাচীন সাহিত্যের প্রাচীনত্ব বোঝাতে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নাম স্মরণ করা হয়। উপন্যাসে ভাষাতত্ত্ব বা প্রাচীন পুঁথি সংক্রান্ত আলোচনার সঙ্গে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নাম যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের ভেতরের চরিত্র বা বিশেষ নাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সাহিত্য পাঠের সময় উপন্যাসের ছোটখাটো তথ্য ও ঐতিহাসিক চরিত্রের উপস্থিতি ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0