প্রশ্নের বর্ণনা

a আগস্ট, ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে
b সেপ্টেম্বর, ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে
c অক্টোবর, ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে
d নভেম্বর, ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নভেম্বর, ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। সুইডিশ একাডেমি এই দিন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়। - এই অর্জনের মাধ্যমে তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও সুরকার। - ১৯১৩ সালে 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য (Song Offerings) তাকে এই prestigious পুরস্কার দেওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েটসের ভূমিকা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস। উদাহরণ ২: নোবেল প্রাইজ প্রাপ্তি ব্যাখ্যা: ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর সুইডিশ একাডেমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নোবেল বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগস্ট, ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে — এই মাসে নোবেল পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা প্রদানের কোনো ঘটনা ঘটেনি। B) সেপ্টেম্বর, ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে — এই মাসেও নোবেল পুরস্কার সংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক ঘোষণা বা প্রাপ্তি ঘটেনি। C) অক্টোবর, ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে — সাধারণত অক্টোবর মাসে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হলেও সে বছর তা হয়নি। D) নভেম্বর, ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে — এটি সঠিক মাস কারণ ১৩ নভেম্বর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার ঘোষণা আসে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির সাল মনে রাখতে ১৯১৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন এবং মাসটি হলো নভেম্বর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রথম এশীয় নোবেল বিজয়ী কে, এই প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উত্তর হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0