প্রশ্নের বর্ণনা

a স্যার ইকবাল
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কৃষন চন্দর
d নীরোদ চৌধুরী
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম ভারতীয় তথা এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - ১৯১৩ সালে তার ইংরেজিতে অনূদিত সংকলন সংগীতাঞ্জলি বা সং অফারিংস কাব্যগ্রন্থের জন্য তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক, কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। - ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিশ্বজোড়া স্বীকৃতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত আধ্যাত্মিক কবিতা সংকলন যার ইংরেজি অনুবাদের সুবাদে তিনি নোবেল পুরস্কার পান। উদাহরণ ২: আমার সোনার বাংলা গান ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃত এবং তার সাহিত্য প্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্যার ইকবাল — তিনি বিখ্যাত উর্দু ও ফার্সি ভাষার কবি হলেও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম ভারতীয় হিসেবে এই পুরস্কার পান। C) কৃষন চন্দর — তিনি একজন বিশিষ্ট হিন্দি ও উর্দু ভাষার ঔপন্যাসিক ও গল্পকার যিনি নোবেল পাননি। D) নীরোদ চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক যিনি নোবেল পুরস্কার পাননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ উপায় হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এশিয়ার প্রথম নোবেল বিজয়ী এবং তিনি ১৯১৩ সালে এই পুরস্কার পান। - সালটি মনে রাখতে তেরো সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো কারণ ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর তিনি পুরস্কার পান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রথম নোবেল বিজয়ী বাঙালি বা এশীয় কে তা জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্নে সাল এবং পুরস্কারের ক্ষেত্র অর্থাৎ সাহিত্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0