প্রশ্নের বর্ণনা

a মীর মশাররফ হোসেন
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d মাইকেল মধুসূদন দত্ত
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি শুধু বাংলাদেশ বা বাংলা সাহিত্যের নন, সমগ্র এশিয়া মহাদেশের মধ্যে প্রথম নোবেলজয়ী সাহিত্যিক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস এর জন্য তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অসামান্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যার ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি নোবেল পান। উদাহরণ ২: মানসী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর সাহিত্যজীবনের দ্বিতীয় পর্যায়ের সূচনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি উনিশ শতকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও নোবেল পুরস্কার পাননি। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি প্রথম বাঙালি ও এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার পান। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক ও সমাজসংস্কারক ছিলেন কিন্তু নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি। D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি আধুনিক বাংলা কাব্যের অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেও নোবেল পুরস্কার পাননি। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পান এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি এর ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমেই এই গৌরব অর্জিত হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন বাঙালি প্রথম নোবেল পান এবং কত সালে পান। সালটি হলো ১৯১৩ এবং ব্যক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0