প্রশ্নের বর্ণনা

a সত্যেন্দ্রনাথের হাতে
b কাজী নজরুল ইসলামের হাতে
c রবীন্দ্রনাথের হাতে
d রজনীকান্ত সেনের হাতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথের হাতে ১. কেন সঠিক: বাংলা গীতিকবিতার বিকাশে প্রাচীন ও মধ্যযুগের পথ পেরিয়ে আধুনিক যুগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরেই পুনর্বিকাশ ও পূর্ণতা ঘটে। তাঁর হাত ধরে বাংলা গীতিকবিতা কেবল আবেগের প্রকাশে সীমাবদ্ধ না থেকে জীবনদর্শন, প্রকৃতি ও মানবতার গভীর সুষমায় সমৃদ্ধ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রধানতম স্তম্ভ এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক। তাঁর গীতিকবিতা সংকলন যেমন মানসী, সোনার তরী, চিত্রা এবং গীতাঞ্জলি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য মর্যাদা দিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানসী কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনকারী গ্রন্থ, যেখানে গীতিকবিতার আধুনিক রূপ ফুটে ওঠে। উদাহরণ ২: সোনার তরী কবিতা ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবির দার্শনিক চিন্তা এবং রূপকধর্মী গীতিকবিতার অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যেন্দ্রনাথের হাতে — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত প্রধানত ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত, তিনি গীতিকবিতার পুনর্বিকাশের মূল রূপকার নন। B) কাজী নজরুল ইসলামের হাতে — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী ও সাম্যের কবি হিসেবে পরিচিত, বাংলা গীতিকবিতার পুনর্বিকাশ তাঁর হাতে ঘটেনি। D) রজনীকান্ত সেনের হাতে — রজনীকান্ত সেন ভক্তিগীতি ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত, কিন্তু গীতিকবিতার পুনর্বিকাশ তাঁর মাধ্যমে ঘটেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: গীতিকবিতার পুনর্বিকাশ ও শ্রেষ্ঠত্ব মানেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথের হাত ধরেই বাংলা সাহিত্য বিশ্বমানের গীতিকবিতা লাভ করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গীতিকবিতার জনক বা বিকাশের প্রধান রূপকার হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম আসে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক বাংলা কবিতার রূপকার সম্পর্কিত প্রশ্নে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম উত্তর হিসেবে বেশি আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0