প্রশ্নের বর্ণনা

a নিউটন
b আইনস্টাইন
c শ্রডিঞ্জার
d ম্যাক্স প্লাংক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইনস্টাইন ১. কেন সঠিক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের মধ্যে ১৯৩০ সালে জার্মানির বার্লিনের কাছাকাছি কাপুতে একটি ঐতিহাসিক আলাপচারিতা হয়েছিল। তাদের এই বিখ্যাত কথোপকথনে দর্শন, মানুষ, বিজ্ঞান, সত্য এবং সুন্দর সম্পর্কিত বিভিন্ন গভীর তাত্ত্বিক বিষয় উঠে এসেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু কবি নন, ছিলেন একাধারে দার্শনিক ও চিন্তাবিদ এবং আইনস্টাইন ছিলেন আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জনক। ১৯৩০ সালে তাদের এই সাক্ষাৎ বিজ্ঞান ও দর্শনের মেলবন্ধনের এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে ও ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'যাযাবর' বা বিভিন্ন দার্শনিক প্রবন্ধ। ব্যাখ্যা: এই রচনাগুলোতে বিজ্ঞান ও মানবতাবাদী দর্শনের এক অপূর্ব সমন্বয় দেখতে পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ও সিগমন্ড ফ্রয়েডের কথোপকথন। ব্যাখ্যা: বিজ্ঞান ও দর্শনের অন্যান্য দিক নিয়ে বিশ্ব মনীষীদের সাথে রবীন্দ্রনাথের চিন্তার আদান-প্রদান তার বিশ্বজনীন মানসিকতার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউটন — আইজ্যাক নিউটন ক্লাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞানের প্রবক্তা হলেও রবীন্দ্রনাথের যুগে তিনি জীবিত ছিলেন না, তাই আলাপচারিতা সম্ভব নয়। C) শ্রডিঞ্জার — এরউইন শ্রডিঞ্জার কোয়ান্টাম বলবিদ্যার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হলেও রবীন্দ্রনাথের সাথে তার সরাসরি এই ধরনের বিখ্যাত দার্শনিক আলাপচারিতা হয়নি। D) ম্যাক্স প্লাংক — ম্যাক্স প্লাংক কোয়ান্টাম তত্ত্বের জনক হলেও বিজ্ঞান ও মানুষের দর্শন নিয়ে রবীন্দ্রনাথের সাথে আইনস্টাইনের মতো আলোচিত কোনো বৈঠক হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের সাথে বিজ্ঞান ও দর্শন নিয়ে আলোচনার কথা থাকলে মনে রাখবে আপেক্ষিক তত্ত্বের প্রবক্তা আইনস্টাইনের নাম। বিশ্বসেরা কবি আর বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর এই ঐতিহাসিক মিলন ঘটেছিল ১৯৩০ সালে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের বিদেশ ভ্রমণ, বিভিন্ন মনীষীর সাথে সাক্ষাৎ এবং তাদের সাল ও স্থান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। আইনস্টাইনের সাথে রবীন্দ্রনাথের সাক্ষাৎ কোথায় ও কত সালে হয়েছিল, তা ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0