প্রশ্নের বর্ণনা

a 1726
b 1761
c 1556
d 1526
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৬১ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যটি ১৭৬১ সালের তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। - পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে মারাঠা ও আহমদ শাহ আবদালীর আফগান বাহিনীর মধ্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এই মহাকাব্যের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যের রচয়িতা হলেন কবি কায়কোবাদ এবং এটি ১৯০৯ সালে প্রকাশিত হয়। - বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবি কর্তৃক রচিত মহাকাব্যের মধ্যে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ঐতিহাসিক নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কায়কোবাদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বিরহলাপ' ১৮৭০ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: কবি কায়কোবাদের সাহিত্যিক জীবন ও তাঁর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে ধারণা পেতে এই উদাহরণটি প্রাসঙ্গিক। উদাহরণ ২: কবি কায়কোবাদের বিখ্যাত আরেকটি কাব্যগ্রন্থ হলো 'অশ্রুমালা'। ব্যাখ্যা: মহাকাব্য ছাড়াও কবির অন্যান্য কাব্যিক অবদানের পরিধি বোঝাতে এই উদাহরণটি সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭২৬ — এই সালে পানিপথের কোনো ঐতিহাসিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি এবং এটি এই মহাকাব্যের প্রেক্ষাপট নয়। B) ১৭৬১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। C) ১৫৫৬ — এই সালে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যা এই মহাকাব্যের বিষয়বস্তু নয়। D) ১৫২৬ — এই সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যার সঙ্গে এই কাব্যের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - পানিপথের যুদ্ধ তিনটি যথা ১৫২৬, ১৫৫৮ (প্রকৃতপক্ষে ১৫৫৬) ও ১৭৬১ সাল। শেষ যুদ্ধটি নিয়েই মহাশ্মশান মহাকাব্য রচিত। - মহাশ্মশান মহাকাব্যের সাল মনে রাখতে পানিপথের শেষ যুদ্ধের সালটি মনে রাখলেই চলবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মহাশ্মশান মহাকাব্যের লেখক কে এবং এটি কত সালে প্রকাশিত হয়, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ঐতিহাসিক যুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে রচিত বাংলা সাহিত্যকর্মগুলোর নাম ও সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0