প্রশ্নের বর্ণনা

a ইসমাইল হোসেন সিরাজী
b নেয়ামত উল্লাহ আল কোরেশী
c মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী
d মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী ১. কেন সঠিক: - কবি কায়কোবাদের প্রকৃত বা দাপ্তরিক নাম হলো মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী। কায়কোবাদ ছিল তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম বা পরিচিত নাম। - মহাকাব্য 'মহাশ্মশান' রচনার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন এবং এই নামেই তিনি সর্বাধিক পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি কায়কোবাদ বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহাকাব্যিক কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'মহাশ্মশান' প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে। - পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই মহাকাব্যে মুসলিম ও মারাঠাদের মধ্যকার ঐতিহাসিক সংঘর্ষ ও করুণ পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কবি কাজী নজরুল ইসলাম ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের দাপ্তরিক নাম হলেও তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। উদাহরণ ২: সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বনফুল ছদ্মনামে বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্প ও উপন্যাস লিখেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন, যার বিখ্যাত উপন্যাস রায় দাক্ষিণাত্য। B) নেয়ামত উল্লাহ আল কোরেশী — এটি কবি কায়কোবাদের নাম নয়, বরং ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্যমূলক অপশন। C) মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কবি কায়কোবাদের আসল নাম হিসেবে নির্দেশ করে। D) মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ইসলামী পন্ডিত ছিলেন, সাহিত্যিক কায়কোবাদ নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - কায়কোবাদের আসল নামের প্রথম অক্ষর ম দিয়ে শুরু, অর্থাৎ মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী। এভাবে ক-তে কায়কোবাদ এবং ক-তে কাজেম মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের আসল নাম বা ছদ্মনাম জিজ্ঞেস করা হয়। - কবি কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যের প্রকাশকাল এবং ঐতিহাসিক পটভূমি মনে রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0