প্রশ্নের বর্ণনা

a শাহ মুহম্মদ সগীর
b মীর মশাররফ হোসেন
c আলাওল
d কায়কোবাদ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কায়কোবাদ ১. কেন সঠিক: - কায়কোবাদ বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহাকবি হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত এবং তার বিখ্যাত মহাকাব্য মহাশ্মশান বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি। - প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে মহাকাব্য রচনার গৌরব অর্জন করায় তাকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহাকবি বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কায়কোবাদ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের পর আধুনিক যুগের একজন প্রখ্যাত মুসলিম কবি যিনি মূলত মহাকাব্য রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - তার মূল নাম কাজেম আল কোরেশী এবং মহাশ্মশান মহাকাব্যটি তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কায়কোবাদ রচিত মহাশ্মশান মহাকাব্য ব্যাখ্যা: এই মহাকাব্যটি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম ও একমাত্র সার্থক মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত হয়। উদাহরণ ২: কবি কায়কোবাদের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কুসুমাঞ্জলি ব্যাখ্যা: ১৮৮৫ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটির মাধ্যমেই মূলত তার সাহিত্যিক জীবন পরিচিতি লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহ মুহম্মদ সগীর — তিনি প্রাচীন বা মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি হলেও মহাকবি নন, বরং ইউসুফ জুলখা কাব্যের জন্য পরিচিত। B) মীর মশাররাত হোসেন — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার ছিলেন, কোনো মহাকবি নন। C) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের কবি হলেও তাকে মহাকবি বলা হয় না। D) কায়কোবাদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহাকবি হিসেবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - মহাশ্মশান মহাকাব্যের রচয়িতা কায়কোবাদকে মনে রাখতে হবে মুসলিম মহাকবি হিসেবে। - আধুনিক যুগের শুরুতে মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই প্রথম মহাকাব্যের মতো বিশাল পরিসরে হাত দিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হলো মেঘনাদবধ কাব্য যার রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - প্রথম মুসলিম মহাকবি বললে কায়কোবাদ এবং প্রথম সার্থক মহাকবি বললে মাইকেল মধুসূদন দত্ত উত্তর হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0