প্রশ্নের বর্ণনা

a পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
b পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ
c পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
d পলাশীর যুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ ১. কেন সঠিক: মহাশ্মশান মহাকাব্যটি মূলত ১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনার উপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। এই যুদ্ধে আহমদ শাহ আবদালীর নেতৃত্বাধীন আফগান বাহিনী এবং সদাশিবরাও ভাউয়ের নেতৃত্বাধীন মারাঠাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাশ্মশান মহাকাব্যের রচয়িতা হলেন কবি কায়কোবাদ এবং এটি ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয়। বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত মহাকাব্যের মধ্যে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সৃষ্টি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্মশান মহাকাব্য ব্যাখ্যা: এই মহাকাব্যে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ভয়াবহতা ও করুণ পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার উপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানিপথের প্রথম যুদ্ধ — এই যুদ্ধের পটভূমিতে মহাশ্মশান কাব্য রচিত হয়নি কারণ এটি ১৫২৬ সালে বাবর ও ইব্রাহিম লোদীর মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল। B) পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ — এই যুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মহাশ্মশান কাব্যের কোনো সম্পর্ক নেই কারণ এটি ১৫৫৬ সালে আকবর ও হিমুর মধ্যে হয়েছিল। C) পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কায়কোবাদের মহাশ্মশান কাব্যের মূল বিষয়বস্তু ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এটিই। D) পলাশীর যুদ্ধ — এই যুদ্ধের পটভূমিতে মহাশ্মশান কাব্য রচিত হয়নি কারণ এটি ১৭৫৭ সালে বাংলা ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে ঘটেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: মহাশ্মশান মহাকাব্যের লেখক কায়কোবাদ এবং যুদ্ধের সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো পানিপথের তিনটি যুদ্ধের মধ্যে শেষেরটি নিয়ে এই কাব্য লেখা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মহাশ্মশান মহাকাব্যের রচয়িতা এবং এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই কবি কায়কোবাদ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ উভয় তথ্যই মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0