প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b আবুল ফজল
c মীর মোশাররফ হোসেন
d মধুসূদন দত্ত
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মীর মোশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: 'গো-জীবন' প্রবন্ধটির রচয়িতা মীর মোশাররফ হোসেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে তৎকালীন সমাজে গরু জবাই কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল, তার প্রেক্ষাপটে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার উদ্দেশ্যে তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মোশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্যিক উপন্যাস 'বিষাদ সিন্ধু' এবং সামাজিক নাটক 'জমীদার দর্পণ' বাংলা সাহিত্যে তাঁকে অমর করে রেখেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মীর মোশাররফ হোসেন রচিত 'বিষাদ সিন্ধু'। ব্যাখ্যা: এটি কারবালার বিষাদময় ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত তাঁর সর্বাধিক পরিচিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: মীর মোশাররফ হোসেন রচিত 'উদাসীন পথিকের মনের কথা'। ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রচিত একটি প্রতিবাদী উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং 'কপালকুণ্ডলা' ও 'বিষবৃক্ষ'-এর মতো বিখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা, কিন্তু 'গো-জীবন'-এর লেখক নন। B) আবুল ফজল — তিনি আধুনিক যুগের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক, তবে 'গো-জীবন' তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়। C) মীর মোশাররফ হোসেন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং 'মেঘনাদবধ কাব্য'-এর রচয়িতা, কিন্তু 'গো-জীবন' তাঁর রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মোশাররফ হোসেন সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে গো-হত্যা বিরোধী বা গো-জীবন রক্ষার বিষয়ে কলম ধরেছিলেন। এভাবে 'গো-জীবন' গ্রন্থটিকে মীর মোশাররফ হোসেনের সাথে মিলিয়ে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাজ সংস্কারমূলক প্রবন্ধ ও এর রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মীর মোশাররফ হোসেনের অন্যান্য প্রবন্ধ গ্রন্থের মধ্যে 'গো-জীবন' নামটি বেশ আলাদা ও গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0