প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রবন্ধ গ্রন্থ
b ভ্রমন কাহিনী
c কাব্যগ্রন্থ
d সাহিত্যরস সমৃদ্ধ গ্রন্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাহিত্যরস সমৃদ্ধ গ্রন্থ ১. কেন সঠিক: মীর মোশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা, যিনি গদ্যে ও পদ্যে মুন্সিয়ানা দেখালেও তাঁর গদ্য রচনায় এক বিশেষ সাহিত্যরস ও ভাষার জাদুকরী প্রকাশ ঘটেছে। তার রচনাশৈলীতে বিষাদ, হাস্যরস, সমাজসচেতনতা ও রূপকধর্মিতার এক অপূর্ব মিশ্রণ পাওয়া যায়, যা প্রথাগত কোনো একটি ধারায় আবদ্ধ নয় বরং সামগ্রিকভাবে সাহিত্যরস সমৃদ্ধ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মোশাররফ হোসেন বাঙালি মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম আধুনিক ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। তার বিখ্যাত গ্রন্থ বিষাদ সিন্ধু একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস যেখানে করুণ রসের চরম প্রকাশ ঘটেছে এবং জমীদার দর্পণ ও উদাসীন পথিকের মনের কথা গ্রন্থে বাস্তবতার সঙ্গে গভীর সাহিত্যরস যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস হলেও এর গদ্যশৈলী এবং করুণ রসের প্রাবল্য একে সাধারণ উপন্যাসের চেয়ে সাহিত্যরস সমৃদ্ধ মহাকাব্যিক রূপ দিয়েছে। উদাহরণ ২: গাজী মিঞার বস্তানী ব্যাখ্যা: এটি সমাজের বাস্তব চিত্র নিয়ে লেখা হলেও লেখকের শ্লেষাত্মক ও রসাত্মক ভাষার কারণে এটি একটি উচ্চমানের সাহিত্যরস সমৃদ্ধ রচনা হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবন্ধ গ্রন্থ — মীর মোশাররফ হোসেনের প্রধান পরিচয় ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হিসেবে, বিশুদ্ধ প্রবন্ধকার হিসেবে তিনি পরিচিত নন। B) ভ্রমন কাহিনী — তার সাহিত্যকর্মে ভ্রমণকাহিনীর উপস্থিতি নেই বললেই চলে, তাই এটি সঠিক নয়। C) কাব্যগ্রন্থ — তিনি কিছু পদ্য বা কাব্য রচনা করলেও তার মূল কৃতিত্ব ও খ্যাতি গদ্য সাহিত্যে, কাব্যগ্রন্থে নয়। D) সাহিত্যরস সমৃদ্ধ গ্রন্থ — এই অপশনটি তার সামগ্রিক রচনাশৈলীর বহুমুখী ও নান্দনিক রূপকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মোশাররফ হোসেনের রচনা মানেই বিষাদ ও রসের অপূর্ব সমন্বয়। তার গ্রন্থগুলোর বহুমুখী বৈশিষ্ট্য বোঝাতে সাহিত্যরস সমৃদ্ধ শব্দগুচ্ছটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মোশাররফ হোসেনের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী এবং প্রথম নাটক জমিদার দর্পণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোনো লেখকের বহুমুখী প্রতিভা বোঝাতে যখন নির্দিষ্ট কোনো ধারা মিলে না, তখন তার সামগ্রিক গুণ বিচার করে উত্তর করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0