প্রশ্নের বর্ণনা

a বিষাদ সিন্ধু
b মহাশ্মশান
c মেঘনাদবধ কাব্য
d পলাশীর যুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিষাদ সিন্ধু ১. কেন সঠিক: বিষাদ সিন্ধু হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও একমাত্র সার্থক গদ্য মহাকাব্য। মহাকাব্যের বিশালতা, গম্ভীর সুর এবং গদ্যরীতির সার্থক প্রয়োগের কারণে একে গদ্য মহাকাব্য বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন রচিত বিষাদ সিন্ধু একটি ঐতিহাসিক উপন্যাসধর্মী গদ্য মহাকাব্য। এটি ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে তিনটি খণ্ডে প্রকাশিত হয় এবং কারবালার বিষাদময় ঘটনা এর মূল বিষয়বস্তু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের প্রথম খণ্ড হলো মহরম পর্ব। ব্যাখ্যা: এই খণ্ডে ইমাম হোসেনের কারবালা প্রান্তরে যাত্রার পটভূমি রচিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের অপর একটি বিখ্যাত গ্ৰন্থ হলো জমিদার দর্পণ। ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষাদ সিন্ধু — এটি গদ্য মহাকাব্য হলেও সঠিক উত্তরের ক্ষেত্রে এটিই মূল উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। B) মহাশ্মশান — এটি কায়কোবাদ রচিত একটি বিখ্যাত পদ্য মহাকাব্য, গদ্য নয়। C) মেঘনাদবধ কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা পদ্য মহাকাব্য। D) পলাশীর যুদ্ধ — এটি নবীনচন্দ্র সেন রচিত একটি ঐতিহাসিক পদ্য মহাকাব্য বা কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্য মহাকাব্য বললে মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু মনে রাখবে। পদ্য মহাকাব্যের সাথে গদ্য মহাকাব্যের পার্থক্য মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক গদ্য মহাকাব্যের রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে তাই রচয়িতা ও গ্রন্থের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0