প্রশ্নের বর্ণনা

a নীলদর্পণ
b জমিদার দর্পণ
c স্বপন পশারী
d দুর্গেশনন্দিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জমিদার দর্পণ ১. কেন সঠিক: - জমিদার দর্পণ নাটকটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত সমাজবাস্তবধর্মী নাটক যা তৎকালীন সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের জমিদারদের কৃষক নির্যাতন ও নিপীড়নের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। - মীর মশাররফ হোসেন নাটকের মাধ্যমে বাংলার গ্রামীণ সমাজে জমিদার শ্রেণির শোষণ এবং সাধারণ কৃষকদের অসহায়ত্ব ও প্রতিবাদের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি বিষাদসিন্ধু উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত ও খ্যাতি অর্জন করেছেন। - জমিদার দর্পণ নাটকটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত দিনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নীলদর্পণ নাটকের অনুকরণে ও প্রভাবে রচিত হয়েছিল যাতে তৎকালীন সমাজের নির্মম বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত মহাকাব্যিক উপন্যাস যা কারবালার যুদ্ধ ও ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: উদাসীন পথিকের মনের কথা ব্যাখ্যা: এটিও মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস যেখানে সিপাহী বিদ্রোহ ও তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের নানা অসঙ্গতি নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীলদর্পণ — এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচিত নাটক নয়, বরং এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত বিখ্যাত নাটক যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে রচিত হয়েছিল। B) জমিদার দর্পণ — এটি সঠিক উত্তর। C) স্বপন পশারী — এটি মীর মশাররফ হোসেনের কোনো নাটক বা উপন্যাস নয়, এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ একটি অপ্রাসঙ্গিক ও কাল্পনিক অপশন। D) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস, মীর মশাররফ হোসেনের রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মীর মশাররফ হোসেনের দর্পণযুক্ত নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিনি লিখেছেন জমিদার দর্পণ আর দীনবন্ধু মিত্র লিখেছেন নীলদর্পণ। - লেখকের নামের প্রথম অক্ষরের সাথে নাটকের মূল থিম মিলিয়ে নিলেই পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়ানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নীলদর্পণ এবং জমিদার দর্পণ নাটকের রচয়িতা নিয়ে প্রশ্ন আসে যা পরীক্ষার্থীদের গুলিয়ে ফেলতে পারে। - মূল রচয়িতা এবং তাদের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আলাদা করে মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সঠিকভাবে উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0