প্রশ্নের বর্ণনা

a অনল প্রবাহ
b জননী
c আনোয়ারা
d গাজী মিয়ার বস্তানী
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গাজী মিয়ার বস্তানী ১. কেন সঠিক: - গাজী মিয়ার বস্তানী মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ও ব্যাঙ্গাত্মক রচনা। - এই গ্রন্থে উনিশ শতকের গ্রামীণ বাংলার সমাজচিত্র, বিচারব্যবস্থা ও মানুষের জীবনযাত্রা অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক ও গদ্যশিল্পী হিসেবে পরিচিত। - তাঁর রচিত বিষাদ সিন্ধু একটি ঐতিহাসিক ও মার্তাবহ উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় উপন্যাস, যা তিন খণ্ডে বিভক্ত। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে রচিত তাঁর একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনল প্রবাহ — এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচনা নয়, বরং এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) জননী — এটি মীর মশাররফ হোসেনের লেখা নয়, এটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। C) আনোয়ারা — এটি মীর মশাররফ হোসেনের লেখা নয়, এটি মৌলবী মোহাম্মদ নজীবের চৌধুরীর জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস। D) গাজী মিয়ার বস্তানী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মীর মশাররফ হোসেনেরই একটি অনবদ্য সৃষ্টি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মীর মশাররফ হোসেনের নামের সঙ্গে গাজী মিয়ার বস্তানী এবং বিষাদ সিন্ধু নামটি গভীরভাবে যুক্ত। - বস্তানী শব্দের অর্থ পুঁথি বা বিবরণ, যা দিয়ে তাঁর এই বিশেষ রচনাটিকে মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের রচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিষাদ সিন্ধু, জমিদার দর্পণ এবং গাজী মিয়ার বস্তানী—এই তিনটি গ্রন্থ তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0