প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রাচীন যুগের গ্রন্থ
b আধুনিক যুগের
c মধ্যযুগের
d অন্তঃমধ্যযুগের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আধুনিক যুগের ১. কেন সঠিক: - বিষাদ সিন্ধু গ্রন্থটি আধুনিক যুগে রচিত হলেও এর বিষয়বস্তু ঐতিহাসিক এবং পৌরাণিক। - ঊনবিংশ শতাব্দীতে রচিত এই মহাকাব্যিক গদ্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধারার এক অনন্য সৃষ্টি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা হলেন ঊনবিংশ শতকের বিখ্যাত সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন। - এটি মূলত কারবালার বিষাদময় ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি অমর উপন্যাস, যা ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে তিন খণ্ডে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্মশান ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ রচিত এই মহাকাব্যটিও আধুনিক যুগে রচিত মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক একটি ঐতিহাসিক সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের এই কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক যুগের বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী চেতনার এক ঐতিহাসিক প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাচীন যুগের গ্রন্থ — প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ এবং এই যুগে কোনো গদ্য বা আধুনিক উপন্যাস রচিত হয়নি। B) আধুনিক যুগের — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গভাবে প্রযোজ্য। C) মধ্যযুগের — মধ্যযুগের সাহিত্য প্রধানত কাব্যধর্মী ও পদ্যে রচিত ছিল এবং মঙ্গলকাব্য বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান এর প্রধান ধারা ছিল। D) অন্তঃমধ্যযুগের — বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অন্তঃমধ্যযুগ বা অন্ধকার যুগ বলে কোনো স্বীকৃত দীর্ঘ সময়কাল নেই, যা বিষাদ সিন্ধুর যুগের সঙ্গে মেলে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মীর মশাররফ হোসেন আধুনিক যুগের ঔপন্যাসিক, তাই তার বিষাদ সিন্ধু গ্রন্থটিও আধুনিক যুগের সৃষ্টি হিসেবে মনে রাখবে। - ঊনবিংশ শতাব্দীর গদ্য সাহিত্য মানেই সাধারণত আধুনিক যুগের সাহিত্য বলে ধরে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিষাদ সিন্ধু কার লেখা এবং এর প্রকাশের সময়কাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম সার্থক গদ্য উপন্যাস বা বৃহৎ কাহিনীকাব্য হিসেবে এটি বিশেষভাবে স্মরণীয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0