প্রশ্নের বর্ণনা

a মোতাহের হোসেন
b ইসমাইল হোসেন সিরাজী
c মীর মশাররফ হোসেন
d ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মীর মশাররফ হোসেন কেন সঠিক: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। তার রচিত রত্নাবলী বা বিষাদসিন্ধু কিংবা অন্যান্য উপন্যাস বাংলা কথাসাহিত্যে মুসলিম লেখকদের মধ্যে প্রথম প্রকাশ পায়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা উপন্যাসের সূচনালগ্ন থেকেই হিন্দু লেখকদের আধিক্য থাকলেও মীর মশাররফ হোসেন এই ধারায় মুসলিম অবদান নিশ্চিত করেন। তার ঔপন্যাসিক প্রতিভা উনিশ শতকের বাংলা গদ্য সাহিত্যকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও গতিশীল করে তুলেছে। তার বিখ্যাত উপন্যাস রত্নবতী বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম রচিত উপন্যাস হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোতাহের হোসেন — ইনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ হলেও প্রথম ঔপন্যাসিক নন। তার মূল অবদান বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যে এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনে সীমাবদ্ধ ছিল। B) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — ইনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও প্রথম নন। তার রচিত রায় নন্দিনী এবং তারেক মীর পরবর্তীতে প্রকাশিত ঐতিহাসিক উপন্যাস। C) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক। D) ফররুখ আহমদ — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত মুসলিম কবি। তিনি মূলত কাব্য রচনার জন্য পরিচিত, কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের নাম মনে রাখলেই প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিকের নাম চলে আসে। বিষাদসিন্ধু লেখকের নাম মীর মশাররফ হোসেন যিনি বাংলা উপন্যাসের প্রথম পথপ্রদর্শক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0