প্রশ্নের বর্ণনা

a গোলাম মোস্তফা
b কাজী নজরুল ইসলাম
c কায়কোবাদ
d মীর মশাররফ হোসেন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে গদ্য ও পদ্য উভয় শাখায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা প্রথম মুসলমান সাহিত্যিক হলেন মীর মশাররফ হোসেন। - তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বসন্তকুমারিকা (১৮৬৯) এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম বিষাদ সিন্ধু (১৮৮৫-১৮৯১)। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন উনিশ শতকের বাঙালি মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী ও আধুনিক মননশীল লেখক ছিলেন। - তাঁর গদ্যে সমসাময়িক সমাজচিত্র, মানবতাবাদ এবং মুসলিম সমাজের জীবনযাত্রার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের ঐতিহাসিক ও মহাকাব্যিক ঢঙে রচিত একটি বিখ্যাত গদ্য উপন্যাস। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ও কৃষকদের ওপর নিপীড়ন নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলাম মোস্তফা — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি প্রথম মুসলমান সাহিত্যিক নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও বিংশ শতাব্দীর প্রধান সাহিত্যিক, যাঁকে মীর মশাররফের অনেক পরে পাওয়া যায়। C) কায়কোবাদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য মহাশ্মশান (১৯০৪) এর রচয়িতা হলেও মীর মশাররফ হোসেনের পরে আবির্ভূত হন। D) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম উল্লেখযোগ্য মুসলমান সাহিত্যিক হিসেবে স্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মীর মশাররফ হোসেন হলেন মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম বড় মাপের লেখক, যাঁর 'বিষাদ সিন্ধু' মহাকাব্যের মতো জনপ্রিয়তা পেয়েছে। - সাল ১৮৪৭ সালে জন্মগ্রহণকারী এই লেখক গদ্যে প্রথম মুসলিম স্বাতন্ত্র্য ও প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান (কুষ্টিয়া) এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার হিসেবেও তাঁর জমিদার দর্পণ নাটকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0