প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d বিমল মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'মৃণালিনী' হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তাঁর রচনার মাধ্যমেই বাংলা উপন্যাসের সার্থক যাত্রা শুরু হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের আদিগুরু ও যুগপ্রবর্তক সাহিত্যিক। - 'মৃণালিনী' তাঁর তৃতীয় উপন্যাস এবং এটি ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়, যার পটভূমি বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের ঐতিহাসিক ঘটনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত ঐতিহাসিক উপন্যাস এবং ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা প্রথম সামাজিক উপন্যাস যা ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'মৃণালিনী' উপন্যাসের রচয়িতা। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বিশ শতকের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক যিনি 'দেবদাস' ও 'শ্রীকান্ত' রচনা করেছেন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত কবি ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী সাহিত্যিক যিনি 'চোখের বালি' ও 'গোরা' উপন্যাস লিখেছেন। D) বিমল মিত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি আধুনিক যুগের ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি 'সাহেব বিবি গোলাম' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাসের মধ্যে 'মৃণালিনী' একটি অন্যতম বিখ্যাত নাম। - বঙ্কিমচন্দ্র মানেই বাংলা উপন্যাসের ভিত্তিপ্রস্তর এবং ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাসের এক অমূল্য ভাণ্ডার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' এবং প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস 'মৃণালিনী' প্রায়ই আসে। - ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের প্রকাশকাল ও শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0