প্রশ্নের বর্ণনা

a আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী, সীতারাম
b বিষবৃক্ষ, কপালকুণ্ডলা, রাজসিংহ
c মৃণালিনী, দুর্গেশনন্দিনী, ইন্দিরা
d বিষবৃক্ষ, ইন্দিরা, সীতারাম
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী, সীতারাম ১. কেন সঠিক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শেষ জীবনের তিনটি উপন্যাসে দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদ ও ধর্মের পুনরুজ্জীবন প্রচার করা হয়েছে। এই তিনটি উপন্যাস একত্রে প্রচারধর্মী ত্রয়ী বা ত্রয়ী উপন্যাস নামে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক ও প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। আনন্দমঠ উপন্যাসে সন্ন্যাসী বিদ্রোহ এবং দেবী চৌধুরাণী ও সীতারামে যথাক্রমে ভবানী পাঠক ও সীতারামের মাধ্যমে নিষ্কাম কর্মযোগ ও দেশপ্রেম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনন্দমঠ উপন্যাসটি ১৮৮২ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান বন্দে মাতরম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উদাহরণ ২: দেবী চৌধুরাণী উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৮৪ সালে। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে গীতার নিষ্কাম কর্মযোগের ধারণা চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী, সীতারাম — এই তিনটি উপন্যাসই বঙ্কিমচন্দ্রের প্রচারধর্মী ত্রয়ী হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত। B) বিষবৃক্ষ, কপালকুণ্ডলা, রাজসিংহ — এগুলো বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস হলেও ত্রয়ী হিসেবে পরিচিত নয়। C) মৃণালিনী, দুর্গেশনন্দিনী, ইন্দিরা — এই উপন্যাসগুলো ভিন্ন ধারার এবং এগুলো প্রচারধর্মী ত্রয়ীর অন্তর্ভুক্ত নয়। D) বিষবৃক্ষ, ইন্দিরা, সীতারাম — এই অপশনের উপন্যাসগুলো ভিন্ন ভিন্ন ধারার এবং ত্রয়ী হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রচারধর্মী ত্রয়ী মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আনন্দ দেবী সীতা। এখানে আনন্দ মানে আনন্দমঠ, দেবী মানে দেবী চৌধুরাণী এবং সীতা মানে সীতারাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাসের নামগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। কোন উপন্যাস কোন সালে প্রকাশিত হয়েছে এবং কোন উপন্যাসে কী বিষয়বস্তু রয়েছে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0