প্রশ্নের বর্ণনা

a রামমোহন রায়
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d মধুসূদন দত্ত
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৮৫৮ সালে প্রথম ব্যাচের স্নাতক বা গ্রাজুয়েট ডিগ্রি লাভ করেন। - বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উচ্চশিক্ষায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের ইতিহাস ও বিকাশে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ঔপন্যাসিক। - তাঁর রচিত প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস কপালকুণ্ডলা। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন এবং বাংলা রোমান্টিক উপন্যাসের মাইলফলক। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস আনন্দমঠ। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে ভারতের স্বাধীনতার সংগ্রাম ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামমোহন রায় — তিনি আধুনিক বাংলা গদ্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক হলেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গ্রাজুয়েট ছিলেন না। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি পন্ডিত ও শিক্ষাবিদ ছিলেন এবং সংস্কৃত কলেজ থেকে উপাধি লাভ করেছিলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গ্রাজুয়েট নন। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। D) মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকবি ও নাট্যকার হলেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গ্রাজুয়েট ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের গ্রাজুয়েট এবং বাংলা উপন্যাসের প্রথম সার্থক রূপকার। - প্রথম গ্রাজুয়েট এবং প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনীর রচয়িতা হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্রের নাম এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম গ্রাজুয়েট বা প্রথম উপন্যাস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী এবং প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস হিসেবে এর গুরুত্ব বারবার পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষিত হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0