প্রশ্নের বর্ণনা

a বিষবৃক্ষ
b কৃষ্ণকান্তের উইল
c তিতাস একটি নদরি নাম
d শেষের কবিতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিষবৃক্ষ ১. কেন সঠিক: - কুন্দনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস বিষবৃক্ষ এর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র। - এই উপন্যাসে কুন্দনন্দিনী এক নিঃসহায় ও কোমলমতি তরুণী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং কাহিনীর পরিণতিতে তার ট্র্যাজিক মৃত্যু ঘটে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। - বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যমুখী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কপালকুন্ডলা বা বিষবৃক্ষ উপন্যাসের মতো কৃপাপ্রার্থী কোনো চরিত্র নয়, বরং বিষবৃক্ষ উপন্যাসের অপর একটি বিখ্যাত ও শক্তিশালী প্রধান নারী চরিত্র হলো সূর্যমুখী। উদাহরণ ২: দেবী চৌধুরাণী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার মূল চরিত্র প্রফুল্ল বা দেবী চৌধুরাণী, যা নারী শক্তির প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষবৃক্ষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুন্দনন্দিনী। B) কৃষ্ণকান্তের উইল — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যার প্রধান নারী চরিত্র রোহিনী ও ভ্রমর, কুন্দনন্দিনী নয়। C) তিতাস একটি নদীর নাম — এটি অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত একটি বিখ্যাত প্রমাদমূলক ও অবৈতনিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র কিশোর ও বাসন্তী। D) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলোর নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে নাগেন্দ্র, সূর্যমুখী এবং কুন্দনন্দিনীর ত্রিকোণ প্রেমের ট্র্যাজেডিই হলো এই উপন্যাসের মূল বিষয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের চরিত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই বঙ্কিমচন্দ্র ও শরৎচন্দ্রের উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0